হেগসেথ বলেন, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ মূলত একটি আত্মরক্ষামূলক ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক সাময়িক অভিযান। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ইরানি আগ্রাসন থেকে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে রক্ষা করা। এর জন্য মার্কিন বাহিনীর ইরানের জলসীমা বা আকাশসীমায় প্রবেশের কোনো প্রয়োজন নেই। আমরা কোনো সংঘাত চাচ্ছি না।’
তবে তিনি সতর্ক করে দেন যে ইরান যদি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়, তবে তাদের ‘অপ্রতিরোধ্য ধ্বংসক্ষমতার’ মুখোমুখি হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বিশ্বের অন্য দেশগুলোও যথাসময়ে এই নৌ-পথ রক্ষায় এগিয়ে আসবে।
আরও পড়ুন:
পেন্টাগন প্রধান আরও জানান, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর যুদ্ধ অভিযান ‘প্রজেক্ট এপিক ফিউরি’ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ইরান যে দাবি করে আসছে, তা সঠিক নয়।
তিনি বলেন, ‘প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্র একটি নিরাপত্তা ‘‘ডোম’’ বা সুরক্ষা বলয় তৈরি করেছে, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য একটি উপহার।’
ইরানের বন্দরগুলো থেকে ছয়টি জাহাজ মার্কিন অবরোধ ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু মার্কিন বাহিনী সেগুলো আটকে দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।




