চেরি ফুলের সৌন্দর্যে ঢাকা কানাডা; স্বপ্নিল রঙে মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা

চেরি ফুলের সৌন্দর্যে ঢাকা কানাডা
ভ্রমণ ও পর্যটন
বিদেশে এখন
0

চেরি ফুলের সৌন্দর্যে সমগ্র কানাডা যেন এখন স্বপ্নময় আবেশে ঢাকা। রূপ-বৈচিত্র্যে ভরপুর বেশ কয়েকটি প্রদেশ। নয়নাভিরাম এ দৃশ্য উপভোগে মেতে উঠেছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। পিছিয়ে নেই স্থানীয় বাংলাদেশিরাও।

প্রকৃতি যেন তার রঙের মেলা বসিয়েছে চারপাশে। সাদা ও লাল আভায় রঙিন হয়ে উঠেছে পত্রপল্লব।

কানাডার প্রকৃতিতে এখন বসন্ত। কখনো রোদের ঝলক, কখনো বৃষ্টির ছোঁয়া। হঠাৎই ভেসে আসে কালো মেঘ। এরই মাঝে থোকায় থোকায় ঝুলে থাকা ফুল যেন জীবনানন্দ কিংবা আল মাহমুদের কবিতার অলংকার।

চোখে প্রশান্তির ছোঁয়া দেয়া চেরি ফুলের সৌন্দর্য ছড়িয়ে আছে কানাডার কয়েকটি প্রদেশে। পশ্চিমের ব্রিটিশ কলাম্বিয়া থেকে পূর্বের নোভা স্কোশিয়া— সৌরভে ভরা চারপাশ। আর মধ্যভাগের টরন্টো এখন যেন একেবারে ফুলেরই রাজ্য।

স্থানীয়দের একজন বলেন, অতীতে, ‘বহু বছর আগে আমি ওয়াশিংটন ডিসি-র চোর ব্লসম ফেস্টিভ্যালাট অল্পের জন্য মিস করেছি। কিন্তু এটা আসলে এক ধরনের অপেক্ষার খেলা, কারণ আপনি যদি হাই পার্কের ওয়েবসাইটে সবকিছু ট্র্যাক করেন, তবে চেরি ফুলগুলো কখন ষষ্ঠ পর্যায়ে পৌঁছাবে তা দেখার জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না।’

আরও পড়ুন:

এপ্রিলের শেষ দিক থেকে ফুটতে শুরু করে চেরি ফুল। জুন পর্যন্ত যা মুগ্ধতায় জড়িয়ে রাখে। জাপান সরকারের উপহার হিসেবে পাওয়া এই ফুল এখন কানাডার প্রকৃতির এক অনন্য সৌন্দর্যে পরিণত হয়েছে।

অন্য আরেকজন দর্শনার্থী বলেন, ‘ফুলগুলো অনেক সুন্দর। এককথায় চমৎকার। আমি এখানে কয়েক বছর যাবত আছি। কিন্তু চেরি ফুল দেখতে আমি বরাবরই ব্যর্থ হয়েছি। এখন আমরা ঠিক সময়ে এসেছি। দেখতে পারছি গাছের মধ্যে চেরি ফুলগুলো সুন্দরভাবে ফুটে আছে।’

এই সময়টায় আবহাওয়া না খুব গরম, না খুব ঠাণ্ডা। তাই খোলা প্রকৃতিতে সময় কাটাতে বেরিয়ে পড়েন দর্শনার্থীরা। উত্তর আমেরিকায় এই মৌসুমেই সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটকের আগমন ঘটে। পর্যটন খাতে আসে কয়েক কোটি ডলারের আয়।

প্রকৃতির এই ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্য উপভোগে প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে উদ্যান ও খোলা স্থানে। পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।


এফএস