এই বৈঠকে দুই দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চীনা সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে যোগ হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ, বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার ও বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
সম্প্রতি বাণিজ্য উত্তেজনা, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে নতুন সমঝোতার সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
দুই বিশ্ব নেতা ইরান যুদ্ধ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার বিষয়েও আলোচনা করতে পারেন। এর মধ্যে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এশিয়ায় তেল আর এলএনজি পরিবহণের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালির বিষয়টিও রয়েছে।
বৈঠকে শুরুর বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, ‘সারা বিশ্ব আমাদের এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এমন এক রূপান্তর ত্বরান্বিত হচ্ছে যা গত এক শতাব্দীতে দেখা যায়নি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত পরিবর্তনশীল ও অশান্ত।’
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এক ছিলাম। যখনই কোনো সমস্যা হয়েছে আমরা সমাধান করেছি। আমি আপনাকে কল দিতাম। আপনি আমাকে কল দিতেন। মানুষ জানে না যখনই আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা হয়েছে, আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এটির সমাধান করেছি।’
এর আগে, স্থানীয় সময় বুধবার বেইজিং পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এসময় বিমানবন্দরে তা কে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের পর এটিই ট্রাম্পের প্রথম চীন সফর।





