ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তেহরান কার্যকরভাবে এই প্রণালি দিয়ে সব ধরনের ট্যাংকার ও কার্গো চলাচল বন্ধ করে দেয়। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই সরবরাহ করা হতো। এছাড়া বিশ্বের মোট সারের এক-তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো। এফএও সতর্ক করেছে যে, এর ফলে গ্রীষ্মকালীন চাষাবাদের মৌসুমে কৃষকেরা মারাত্মক সার সংকটে পড়তে পারেন।
আরও পড়ুন:
রোমভিত্তিক এই সংস্থাটি সমুদ্র ও স্থলপথে বিকল্প রুটের ওপর জোর দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ করে আরব উপদ্বীপ হয়ে লোহিত সাগর পর্যন্ত বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টরেরো এক পডকাস্টে বলেন, ‘এই প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় দেশগুলোর সহনশীলতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাবার সময় এসেছে।’
সংস্থাটি মনে করছে, আগামী ছয় থেকে ১২ মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বৈশ্বিক খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে। এই ধাক্কাটি মূলত কয়েকটি ধাপে আসবে—প্রথমে জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি, এরপর বীজের সংকট, শস্যের ফলন কমে যাওয়া এবং সবশেষে পণ্যমূল্য ও খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি। এফএও জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের বিশ্ব খাদ্যমূল্য সূচক টানা তিন মাস ধরে বাড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশগুলোকে জ্বালানি ও সারের ওপর রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা না দিতে এবং খাদ্য সহায়তার ক্ষেত্রে সব ধরনের বাণিজ্যিক বাধা তুলে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।





