ফুটবল বিশ্বকাপ যা এক সুতোয় গাঁথে পুরো বিশ্বকে। বিশ্বকাপ মানেই দুনিয়ার শত কোটি ফুটবলপ্রেমীর আবেগ, উন্মাদনা আর উৎসব।
এ মহাযজ্ঞের আয়োজনের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছেন অন্যতম আয়োজক দেশ কানাডার বাঙালিপাড়ার পরিচিত মুখ বাপ্পী রহমান। ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের ভলান্টিয়ার প্রোগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এরই মধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।
ফুটবল বিশ্বকাপের স্বেচ্ছাসেবক বাপ্পী রহমান বলেন, ‘অনেক চেষ্টা, ধৈর্য ও প্রতীক্ষার পর অবশেষে আমি সিলেক্ট হয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। বিশ্বকাপের মতো একটি বিশাল ইভেন্টে কাজ করা আমার জন্য এক বিশাল গর্বের ব্যাপার।’
তবে বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসরে ভলান্টিয়ার প্রোগ্রামে যুক্ত হওয়া সহজ ছিল না বাপ্পীর জন্য। বিশ্বজুড়ে ১০ লাখের বেশি আবেদনকারী এই প্রোগ্রামের একজন হতে আবেদন করে। সেখান থেকে সুযোগ পেয়েছেন কেবল কয়েক হাজার। আর বাংলাদেশ থেকে রয়েছেন মাত্র কয়েকজন।
আরও পড়ুন:
দীর্ঘ যাচাই-বাছাই, সাক্ষাৎকার, শিফট অ্যাসাইনমেন্ট এবং ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের মতো একাধিক ধাপ পেরিয়ে পহেলা জুন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের তালিকায় স্থান পান বাপ্পী। ফিফা ভলান্টিয়ার প্রোগ্রাম কানাডার তথ্য অনুযায়ী, টরন্টো হোস্ট সিটির জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে প্রায় তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক। প্রতি ৮০ জন আবেদনকারীর মধ্যে সুযোগ পেয়েছেন মাত্র একজন।
তিনি বলেন, ‘শুধু টরন্টো থেকেই আবেদন করেছিলেন প্রায় ২ লাখ ৪৮ হাজার মানুষ। সবশেষে টরন্টোর হোস্ট সিটির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ভলান্টিয়ার। তাদের মধ্যে আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি সন্তান। ডেনফোর্ধ এলাকায় একটি বিশাল বড় মাঠ আছে, যেখানে ডেন্টনিয়া পার্কের এখানে আলোচনা চলছে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখানোর জন্য। আশা রাখছি, বাঙালি কমিউনিটি এবার জিনিসটাকে সুন্দরভাবে উদযাপন করবে।’
বিশ্বকাপের মতো বিশাল আয়োজনে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যেমন উচ্ছ্বসিত বাপ্পী। তেমনি অনেক বাংলাদেশি অভিবাসী এবার মাঠে বসে সেরা তারকাদের খেলা দেখবেন বলেও বাড়তি উন্মাদনা তার।





