মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১৫ মে ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত ১০১ জন এই রোগে প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে এই মহামারিতে মৃত্যুহার দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে মোট নিশ্চিতভাবে আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৫৫০ জনে পৌঁছেছে।
এই ভয়াবহ ভাইরাসটি এখন কঙ্গোর ইতুড়ি, উত্তর কিভু এবং দক্ষিণ কিভু প্রদেশের মোট ২৫টি স্বাস্থ্য জোনে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সাতজন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, যার ফলে মোট সুস্থ হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। সংক্রমণের দিক থেকে ইতুড়ি প্রদেশটি এখনো এই মহামারির উপকেন্দ্র হিসেবে রয়ে গেছে। আক্রান্ত ২৫টি স্বাস্থ্য জোনের মধ্যে ১৭টিই এই প্রদেশে অবস্থিত।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, ‘বুন্দিবুগিও’ প্রজাতির এই ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এখনো সাপ্তাহিক ভিত্তিতে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। সংক্রমণের লেখচিত্রে সম্প্রতি যে সামান্য নিম্নগতি দেখা গেছে, তা মূলত গবেষণাগারের তথ্য হালনাগাদ করতে দেরি হওয়ার কারণে হতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন। মহামারি নিয়ন্ত্রণে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে বর্তমানে নজরদারি, রোগী ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।





