মহামারি
তিন দশকে ভয়ংকর এডিস; ডেঙ্গু এখন আঞ্চলিক মহামারি

তিন দশকে ভয়ংকর এডিস; ডেঙ্গু এখন আঞ্চলিক মহামারি

দেশে ডেঙ্গুর আবির্ভাবের সঠিক তথ্য না থাকলেও ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রামে শনাক্ত হয় এডিস। সেই হিসেবে প্রায় ৩০ বছরে আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে মশাটি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, দেড় দশকে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৮১০ জনের। যার মধ্যে ৩ হাজার ২২৩ জনই গত ৫ বছরের। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যা এর কয়েকগুণ বেশি। জানান, জলবায়ু পরিবর্তনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে খুব কম সময়েই বংশ বিস্তার করছে এডিস। এটিকে আঞ্চলিক মহামারি হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

টিকা নিয়ে ৪ বছরের ঘাটতির খেসারত বর্তমান সরকারকে দিতে হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিকা নিয়ে ৪ বছরের ঘাটতির খেসারত বর্তমান সরকারকে দিতে হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২০ সাল থেকে পর প্রতি চার বছরে একবার মহামারির বিরুদ্ধে টিকাদান কর্মসূচি চালু করার দায়িত্ব সরকারের ছিল। কিন্তু তা দেয়া হয়নি। এর ফলে চার বছরের যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, দায়িত্ব নেয়ার পর তার খেসারত বর্তমান সরকারকে দিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। জানান, দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে।

কঙ্গোতে ইবোলা মোকাবিলায় তহবিল সংকট; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ

কঙ্গোতে ইবোলা মোকাবিলায় তহবিল সংকট; বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ

ডেনোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) পূর্বাঞ্চলে ইবোলা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় তহবিলের অর্ধেকেরও কম পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। আজ মঙ্গলবার সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়ে দাতা দেশগুলোকে এই সংকটে কঙ্গোকে একা ফেলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। স্ট্রেইট টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইবোলা মহামারি ও সশস্ত্র সংঘাত: কঙ্গোয় মানবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা আইসিআরসির

ইবোলা মহামারি ও সশস্ত্র সংঘাত: কঙ্গোয় মানবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা আইসিআরসির

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া ইবোলা মহামারি সশস্ত্র সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) মঙ্গলবার জানিয়েছে, ইবোলা পরিস্থিতির অবনতি হলেও দেশটিতে সহিংসতা কমেনি, বরং হাসপাতালে সংঘাতজনিত জরুরি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। টিআরটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কঙ্গোয় বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে ছড়াচ্ছে ইবোলা; ব্যাপক সংক্রমণের শঙ্কা

কঙ্গোয় বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে ছড়াচ্ছে ইবোলা; ব্যাপক সংক্রমণের শঙ্কা

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে বাস্তুচ্যুতদের একটি শিবিরে ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। এই ঘটনায় সাহায্যকর্মীরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, ঘিঞ্জি ও জনাকীর্ণ এসব শিবিরে অত্যন্ত দ্রুত এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ১১ জুন) প্রকাশিত ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত দুজনই পাংবা শিবিরের বাসিন্দা ছিলেন। ওই শিবিরে বর্তমানে ৩০ হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ বসবাস করছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কঙ্গোয় ইবোলা কেড়ে নিলো ১০০ প্রাণ; সংক্রমণ বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে

কঙ্গোয় ইবোলা কেড়ে নিলো ১০০ প্রাণ; সংক্রমণ বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে

ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। গতকাল (মঙ্গলবার, ৯ জুন) দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই উদ্বেগজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

ইবোলা সংক্রমণ বাড়তে পারে ২০১৪–১৬ মহামারির মাত্রায়; সতর্ক করেছে মার্কিন সিডিসি

ইবোলা সংক্রমণ বাড়তে পারে ২০১৪–১৬ মহামারির মাত্রায়; সতর্ক করেছে মার্কিন সিডিসি

কেন্দ্রীয় আফ্রিকায় ইবোলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না এলে এটি ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ মহামারির পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন–এর (সিডিসি) নতুন মডেলিং বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি অবনতি হলে সংক্রমণ ১০ হাজার থেকে ২০ হাজারের বেশি পর্যন্ত ছড়াতে পারে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কঙ্গোতে ইবোলা পরিস্থিতির অবনতি; জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষামূলক টিকার কথা ভাবছে ডব্লিউএইচও

কঙ্গোতে ইবোলা পরিস্থিতির অবনতি; জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষামূলক টিকার কথা ভাবছে ডব্লিউএইচও

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের ‘বুন্দিবুগিও’ স্ট্রেনটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজ্ঞানীরা এখন উন্নয়ন পর্যায়ে থাকা পরীক্ষামূলক টিকা বা ওষুধ ব্যবহারের কথা ভাবছেন। ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানোম গেব্রেয়াসুস জানিয়েছেন, দেশটিতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০০ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং প্রাণহানি বেড়ে ১৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কঙ্গোতে ইবোলার সংক্রমণে বাড়ছে মৃত্যুহার; জরুরি বৈঠকে বসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

কঙ্গোতে ইবোলার সংক্রমণে বাড়ছে মৃত্যুহার; জরুরি বৈঠকে বসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ক্রমে ভয়াবহ হয়ে উঠছে। দেশটিতে এ ভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৩১ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যামুয়েল রজার কাম্বা। এর আগে ৩৫০ জন সন্দেহভাজন রোগীর মধ্যে ৯১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল, যা এখন বেড়ে ৫১৩ জন সন্দেহভাজনের মধ্যে ১৩১ জনে পৌঁছেছে।

আফ্রিকায় ইবোলা সংক্রমণ: মহামারির আশঙ্কা, সিডিসির সঙ্গে কাজের আশ্বাস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

আফ্রিকায় ইবোলা সংক্রমণ: মহামারির আশঙ্কা, সিডিসির সঙ্গে কাজের আশ্বাস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

মধ্য আফ্রিকার দেশ গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন 'বুন্দিবুগিও'। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে অন্তত ৮০ জনের। ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আড়াইশোর বেশি মানুষের শরীরে। আফ্রিকার রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) আশঙ্কা নতুন স্ট্রেইনের সংক্রমণ রোধে কোনো ভ্যাকসিন না থাকায় দ্রুত মহামারি আকার ধারণ কর‌তে পারে ইবোলা। আফ্রিকান সিডিসির সঙ্গে যৌথভাবে ইবোলা মোকাবিলায় কাজ করার আশ্বাস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

জাপানে নতুন আতঙ্কের নাম ভাল্লুক; প্রাণহানি ঠেকাতে সেনাবাহিনী

জাপানে নতুন আতঙ্কের নাম ভাল্লুক; প্রাণহানি ঠেকাতে সেনাবাহিনী

মহামারি-দুর্যোগ নয়, শত্রুপক্ষের মহড়া কিংবা যুদ্ধের হুংকারও নয়, জাপানে নতুন আতঙ্কের নাম ভাল্লুক। স্থানীয়দের উদ্বেগ আর প্রাণহানি বন্ধে উত্তরের পাহাড় ঘেঁষা এলাকায় নামানো হয়েছে সেনাবাহিনী। গভীর রাতে একলা ঘোরাঘুরি ও জঙ্গলে যাওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রশাসনের।

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টে প্রস্তুতি নেই কুমিল্লার

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টে প্রস্তুতি নেই কুমিল্লার

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টে আতঙ্ক বাড়লেও কোন প্রস্তুতি নেই কুমিল্লার স্বাস্থ্যখাতে। এখন পর্যন্ত নেই করোনা টেস্টের কিট। বেহাল অবস্থা আইসিইউএ’র। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অচল অবস্থায় রয়েছে আইসিইউ ও আইসোলেশন ইউনিট। যার বেশিরভাগ যন্ত্রপাতি অচল হওয়ার পথে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও জেনারেল হাসপাতালে ৬০টি বেড পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়।