‘নেতানিয়াহুর নড়বড়ে পুনর্নির্বাচনি ভাগ্যের চাবিকাঠি এখন ট্রাম্পের হাতে’ শীর্ষক ওই নিবন্ধে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া ট্রাম্পের একটি সাক্ষাৎকারও গুরুত্ব পেয়েছে। সেখানে ট্রাম্প বলেন, ‘কে নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন তা আমাকে দেখতে হবে।’ নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্প সম্ভবত নেতানিয়াহুকেই সমর্থন দেবেন, তবে তিনি নাফতালি বেনেট বা গাদি আইজেনকোটের মতো সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিষয়টিও মূল্যায়ন করবেন।
সম্প্রতি আঞ্চলিক সংঘাত চলাকালে নেতানিয়াহুর কর্মকাণ্ডের একাধিকবার সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি ইসরাইলের সামরিক অবস্থানকে ‘অত্যধিক দীর্ঘ’ বলে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে শান্তি স্মারক সই হওয়ার ঠিক আগে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বোমাবর্ষণের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর আগে বলেছিলেন, ইসরাইলি নেতাকে ‘একটু সংযত’ রাখা ওয়াশিংটনের জন্য জরুরি। লেবানন ইস্যুতে তাকে আরও ‘নমনীয়’ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থেকে কূটনৈতিকভাবে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছে হোয়াইট হাউস। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দুই নেতার সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, দুই নেতার ফোনালাপে নেতানিয়াহু বারবার সামরিক অভিযান বাড়ানোর দাবি করতেন, যা ট্রাম্পের কাছে বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ট্রাম্প তাকে ‘ভবন উড়িয়ে দেয়া বন্ধ’ করতে বলেছিলেন এবং একপর্যায়ে নেতানিয়াহুকে ‘উন্মাদ’ হিসেবেও অভিহিত করেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ওই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, দুর্নীতির মামলার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন না থাকলে তাকে ‘কারাগারে’ থাকতে হতো।





