গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে নিজ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন খামেনি। বাঙ্কার ভেদ করে চালানো ওই হামলার ভয়াবহতার কারণে তার মরদেহের অবস্থা নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি জনসমক্ষে প্রদর্শনের অবস্থায় না থাকার কারণেই এত গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে।
দাফন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী শনিবার ও রোববার তেহরানে খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেয়া হবে। এরপর ৬ জুলাই তেহরানে এবং ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে জানাজা মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
ইরান সরকার এই জানাজাকে একটি ‘ঐতিহাসিক ঘটনা’ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, ২০ কোটির বেশি মানুষ এই মিছিলে অংশ নিতে পারে। জানাজার নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় বেসিজ মিলিশিয়া এবং আইআরজিসি-কে বড় আকারে মোতায়েন করা হয়েছে। দাফন উপলক্ষে দেশটিতে পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্বের ৯০টির বেশি দেশ থেকে প্রতিনিধি দল অংশ নেবে বলে দাবি করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় দেশের শীর্ষ নেতার আসার খবর পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের পর ইরান সরকার এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের শক্তি ও সংহতি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ভারত নিম্ন পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে। ওয়াশিংটনের বিশেষজ্ঞদের মতে, জানাজার এই বিশাল আয়োজন মূলত যুদ্ধের পর তেহরানের বিচ্ছিন্নতা ঢাকার একটি প্রচেষ্টা মাত্র।





