আয়াতুল্লাহ খামেনির শোক র‌্যালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পতাকা পুড়িয়েছে ইরানিরা

যুক্তরাষ্ট্র পতাকা পুড়িয়েছে ইরানিরা
বিদেশে এখন
0

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোক র‌্যালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পতাকা পুড়িয়েছে ইরানিরা। এসময় 'রক্তের বদলে রক্ত চাই' স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে তেহরানের মোসাল্লা কমপ্লেক্স। খামেনির হত্যাকারীদের কোনভাবেই ক্ষমা করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি তাদের। ইরানিদের এমন বিদ্বেষমূলক আচরণ তেহরান-ওয়াশিংটন শান্তিচুক্তি আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের।

ইরানের আপোষহীন শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিদায়‌ র‍্যালিতে শুধু খামেনি নয় দেখা গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু এমনকি মার্কিন প্রতিরক্ষমন্ত্রী পিট হেগসেথের ব্যানার। তবে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নয় বরং ঘৃণা, ক্ষোভ ও প্রতিশোধের দানা বেধেছে ইরানিদের মনে।

প্রিয় নেতার হত্যাকারীকে সরাসরি শাস্তি দিতে না পারলেও অন্তত তাদের পতাকা পুড়িয়ে কিছুটা হলেও মনের আক্ষেপ মেটাচ্ছেন খামেনি ভক্তরা। রোববার তেহরানে মোসাল্লা কমপ্লেক্সে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পতাকা পোড়াতে দেখা যায় কয়েকজনকে। এছাড়াও তাদের বজ্রকন্ঠে ছিলো প্রতিশোধের স্লোগান- রক্তের বদলে রক্ত চাই।

গেলো ২৮ ফেব্রুয়ারি আকাশ থেকে বোমা ফেলে ইরানের কাণ্ডারি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের ৪ সদস্যকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ৪ মাস পর যখন সেই নেতার জানাজা ও দাফন ঘিরে ইরানজুড়ে শোকের মাতম তখন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে আতশবাজির ঝলকানি যুক্তরাষ্ট্রে।

শত্রুপক্ষকে কোনভাবে ছাড় না দেয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের সাধারণ জনগণের। যুক্তরাষ্ট্রে রক্তের বন্যা বইয়ে দেয়ার হুঙ্কার তাদের।

যদিও যুদ্ধ বন্ধে এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান। চলছে শান্তিচুক্তি আলোচনা। তবে কয়েক দফা বৈঠকের পরও চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত আসতে পারেনি দু'দেশ। খামেনিকে সমাহিত করার পর ১১ জুলাই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আবারো শুরু হবে ওয়াশিংটন-তেহরান বৈঠক।

ইএ