তামিলনাড়ু ও কেরালার পর এবার অতি ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় তলিয়ে গেছে ভারতের উত্তরাখণ্ড। বন্যার পর ভূমিধসে ৩টি জাতীয় মহাসড়কসহ তলিয়ে গেছে ১২০টিরও বেশি রাস্তা। যমুনোত্রী জাতীয় মহাসড়কের একটি অংশ দুই দিন ধরে বিচ্ছিন্ন থাকার পর, ভাঙা একটি অংশ ব্যবহার করে উদ্ধার করা হয়েছে শতাধিক তীর্থযাত্রীকে।
বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ভূমিধসে বিপর্যস্ত কেরালায় কাল্লাদির টানেল প্রকল্পের চারপাশে টানা ৫ম দিনের মতো চলছে উদ্ধার অভিযান। এখনও সন্ধান মেলেনি বেশ কয়েকজন বন্যা দুর্গতের।
উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে আসাম এবং ত্রিপুরায় ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। উজানে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ঢলের প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও। দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে আকস্মিক বন্যা এবং জলাবদ্ধতায় বিপন্ন জনজীবন। হরিয়ানা এর সংলগ্ন এলাকাগুলোর পরিস্থিতিও বেশ নাজুক।
আরও পড়ুন:
ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে অতি বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে নদী, খাল এবং নিচু এলাকাগুলো। পানি প্রবেশ করছে লোকালয়ে ডুবে গেছে ফসলী জমি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে অর্ধশতাধিক বাসিন্দাদের নিরাপদে উদ্ধার করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
ভারতের আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস আগামী কয়েকদিন হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পূর্ব উত্তর প্রদেশ এবং মেঘালয়ে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে এছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, পশ্চিম উত্তর প্রদেশ, মিজোরাম, তামিলনাড়ু এবং কেরালায় বৈরী আবহাওয়া পরিস্থিতি থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বারের মতো টাইফুনের কবলে পড়েছে চীন। শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমে উপকূলীয় শহর তাইঝৌতে আঘাত হানে শক্তিশালী টাইফুন বাভি। ওয়েনঝৌতে দ্বিতীয় আঘাত আসে মধ্যরাতের দিকে। এর জেরে অন্তত ২০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে প্রশাসন। চীনের পর জাপানের কয়েকটি দ্বীপে আঘাত হানার পর শক্তি হারিয়ে তাইওয়ানের উত্তর প্রান্ত ঘেঁষে বের হয়ে যায় টাইফুন বাভি। তবে, বৃষ্টি বলয়ের মধ্যে থাকা বিপুল পরিমাণ আর্দ্রতার এখনও তীব্র বর্ষণের ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে।





