বিক্ষোভ চলাকালে রাহুল গান্ধী এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মানে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা। প্রধানমন্ত্রী মোদি ভাবছেন কোনো জবাব না দিয়েই তিনি পার পেয়ে যাবেন, কিন্তু এবার তা হবে না।’ তিনি প্রশ্ন ফাঁসের দায়ে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন।
ধরনা শুরুর ২০ মিনিটের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহন সেখানে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আলোচনা করেন। জিতেন্দ্র সিং জানান, সরকার সংসদে নিট ইস্যু নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলে রাহুল তা মেনে নিয়ে ধরনা শেষ করতে রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই রাহুল তার দাবি বদলে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেন। জিতেন্দ্র সিং রাহুলের এই আচরণকে ‘গণতন্ত্র পরিপন্থী’ বলে অভিহিত করেছেন।
অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, সরকার কোনো জবাবদিহি করতে চায় না। তিনি বলেন, ‘ভারতের তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার দায়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।’
বিক্ষোভ থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি ও কানহাইয়া কুমারসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করে পুলিশ। চান্নি অভিযোগ করেন, এটি বিজেপির ‘সন্ত্রাসবাদ’। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব ও এনসিপি নেতা সুপ্রিয়া সুলে এই প্রতিবাদে সংহতি জানিয়ে বিরোধী জোটের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের জানান দেন।
এর আগে সকালে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে গিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন। গতকাল সোমবার দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের অ্যাকশনে বেশ কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এদিকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আতিশি এই বিক্ষোভ নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, অন্য আন্দোলনকারীরা এক মাস বসে থাকলেও সরকার কথা বলে না, অথচ রাহুলের ক্ষেত্রে এক ঘণ্টার মধ্যেই আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হলো।





