যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত: চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও তেহরানে প্রতিশোধের আগুন

ফাইল ছবি
বিদেশে এখন
0

যুদ্ধের প্রভাবে আরও কঠিন হয়ে উঠেছে ইরানিদের জীবন। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে তারা। নতুন করে হামলার মধ্যেও প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে ইরান। তেহরানে সড়কের বিলবোর্ডে ঝুলছে ট্রাম্পের ব্যঙ্গচিত্র। এদিকে, ইরানে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধের কোনো সমাধান আসেনি এখনো। এর শেষ কোথায় তাও কেউ জানে না। দুই পক্ষের কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। যুক্তরাষ্ট্র যতবারই ইরানকে গুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে হামলা চালায়, ঠিক ততবারই মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে পাল্টা কড়া জবাব দিয়ে যাচ্ছে তেহরান।

ইরানিরা বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধ্মূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিশোধ নেয়া অনিবার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের রাস্তায় বিলবোর্ডে ঝুলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা ব্যাঙ্গাত্মক ছবি। কখনো ট্রাম্পকে রক্তের সাগরে ডুবানো হচ্ছে, কখনো মাথায় গুলিবিদ্ধ, আবার কখনো ট্রাম্পকে গলাটিপে হত্যার ছবিও ফুটে উঠেছে নানা বিলবোর্ডে।

তবে যুদ্ধের পর দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ইরানের ব্যবসায়ীরা। অল্প কয়েক মাসের ব্যবধানে মুদ্রাস্ফীতির প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। আয় কমে যাওয়ায় জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে ইরানিদের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালালে ইরানের অর্থনীতি হোঁচট খাবে বড় পরিসরে।

এদিকে, যুক্তরাজ্যের একটি সামরিক ঘাঁটির বাইরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ করেছে আন্দোলনকারীরা। তাদের ধারণা ইরানের ওপর হামলার জন্য মার্কিন বাহিনী এই ঘাটি ব্যবহার করছে। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রকে এই ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়ে যুক্তরাজ্যকে সতকর্তবার্তা দিয়েছিল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। তবে দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের বাধা নেই।

ইএ