চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর যে যুদ্ধাবস্থার তৈরি হয়, তা অবসানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের সরকারি দুটি সূত্র রয়টার্সের কাছে আসিম মুনিরের এই তেহরান সফর নিশ্চিত করেছে। প্রথম সূত্রটি জানিয়েছে, ইরান ও পাকিস্তান এ বিষয়ে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
দ্বিতীয় সূত্রটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারিসহ সাম্প্রতিক সংঘাতের নানা বিষয় নিয়ে তেহরানে আলোচনা হবে। নামহীন ওই সূত্র বলেন, ‘ইসলামাবাদের সমঝোতা স্মারকের আওতায় শান্তিপ্রক্রিয়া, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি আরব চুক্তির পরবর্তী পরিস্থিতি এবং হুথি ইস্যু নিয়ে ইরানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন আসিম মুনির।’
ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনার জবাবে তেহরান সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর হুমকি দেয়ায় এ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যেই পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইরানকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করার বিষয়ে অন্য দেশগুলোকেও সতর্ক করে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যারা ইরানকে কোনো ধরনের সুবিধা দেবে, তাদের অর্থনৈতিক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ প্রায় বন্ধ রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী যেকোনো অননুমোদিত তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার হুমকি দিয়েছে তেহরান। এতে এমনিতেই নিষেধাজ্ঞার চাপে থাকা ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ আরও বাড়ছে।





