হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন জব্দের দাবি ইরানের; কারিগরি ত্রুটির কথা বললো পেন্টাগন

হরমুজ প্রণালিতে আটক মার্কিন চালকবিহীন সাবমেরিন
বিদেশে এখন
0

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি চালকবিহীন সাবমেরিন বা সমুদ্রতলদেশীয় ড্রোন আটকের দাবি করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। তবে পেন্টাগন জানিয়েছে, ড্রোনে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়ার পর সেটি ইরানের হাতে পড়ে এবং এতে কোনো গোপন বা স্পর্শকাতর তথ্য ছিল না। রয়টাসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, আটক করা যানটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলের তৈরি ডাইভ-এলডি মডেলের একটি স্বায়ত্তশাসিত সাবমেরিন। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আমরা আমেরিকান বাহিনীর অন্যতম আধুনিক ও স্বায়ত্তশাসিত সাবমেরিনটিকে হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে ফাঁদে ফেলে আটক করেছি। এই সাবমেরিনটি সর্বশেষ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ।’

এর জবাবে পেন্টাগনের এক মুখপাত্র বলেন, ‘এটি অঞ্চলের জলসীমায় নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছিল। একদিনেরও বেশি সময় আগে এতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। পুরোনো মডেলের এই ড্রোনে স্পর্শকাতর কোনো তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছিল না বা শ্রেণিবদ্ধ কোনো সোনার বা রাডার সরঞ্জাম ছিল না।’

নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিলও তাদের একটি যান হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেন, ‘ডাইভ-এলডি এমন একটি স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থা, যা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে যানটি খোয়ানো বা ক্ষতি হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা।’

প্রায় ১৯ ফুট (৫.৮ মিটার) দীর্ঘ ও ২৫ লাখ ডলার মূল্যের এই ডাইভ-এলডি সাবমেরিন সমুদ্রের নিচে টানা ১০ দিন কাজ করতে পারে। এটি ৬ হাজার মিটার গভীরতায় নেমে মাইনের উপস্থিতি শনাক্তকরণ, সমুদ্র তলদেশের মানচিত্র তৈরি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হয়।

এএম