স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি আজ বুধবার জানায়, ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুর উত্তর কোরিয়া অংশে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন ভবনের অবকাঠামোগত কাজ চলতি মাসের শুরুতেই শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ ‘স্পিড ব্যাটেল’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া মাত্র চার মাসে ১২ বছর ধরে আটকে থাকা এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করেছে।
২০১৪ সালে চীন তাদের দানদং শহরের মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সিনুইজু শহরকে যুক্ত করতে চার লেনের এই সেতুর নিজস্ব অংশের কাজ শেষ করেছিল। তবে পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু পরীক্ষা ও দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় টানাপোড়েনের কারণে উত্তর কোরিয়া তাদের অংশের কাজ এতদিন অসমাপ্ত রেখেছিল।
গত জুনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্তর কোরিয়া সফর করার পর এবং পরবর্তীতে দুই দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন ও সরাসরি বিমান যোগাযোগ ফের চালুর ধারাবাহিকতায় এ কূটনৈতিক বরফ গলতে শুরু করে। সম্প্রতি রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়া তাদের প্রথম সড়ক সেতু চালুর পর এই ইয়ালু নদী সেতু উন্মুক্ত হলে দেশটির পূর্ব ও পশ্চিম উভয় সীমান্তেই প্রধান দুটি আন্তর্জাতিক সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।





