ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধে মার্কিন প্রতিনিধিসভায় আবারও প্রস্তাব পাস

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ
বিদেশে এখন
0

কংগ্রেসের পূর্বানুমতি ছাড়া ইরানে যেকোনো ধরনের মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ওয়ার পাওয়ারস’ সংকল্প প্রস্তাব পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস)। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একই ধরনের ইস্যুতে এটি মার্কিন নিম্নকক্ষে তৃতীয় কোনো ভোটাভুটি। খবর আল জাজিরার।

গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবটি ২২০-২০৪ ভোটে অনুমোদিত হয়েছে। এতে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির হাতে গোনা কয়েকজন আইন প্রণেতা বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে হাত মেলান। এর আগের ভোটাভুটিগুলোতে চারজন রিপাবলিকান সমর্থন জানালেও, সর্বশেষ এ রোলকলে সেই সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন আইনপ্রণেতাদের এ পদক্ষেপটি সম্প্রতি প্রকাশিত ‘কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস’ (সিবিও)-এর একটি হিসাবের পর সামনে এলো। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগে সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত এতে খরচ হয়েছে ৩,৮০০ কোটি (৩৮ বিলিয়ন) ডলারেরও বেশি। বর্তমানে এ বাবদ প্রতি মাসে ব্যয় হচ্ছে ৩০০ কোটি (৩ বিলিয়ন) ডলার পর্যন্ত।

সিবিও-এর প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, টানা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধক সমরাস্ত্রের মজুদ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। বিপুল এ ঘাটতি পূরণ করতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গৃহীত ‘ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট' বা যুদ্ধ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী—দীর্ঘমেয়াদি কোনো সামরিক অভিযানে যুক্ত হতে হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই কংগ্রেসের অনুমতি নিতে হয়।

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দেশটির প্রেসিডেন্টকে ‘কমান্ডার-ইন-চিফ’ বা ‘সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক’ হিসেবে নিয়োজিত করেছে। তবে এ আইনি ব্যবস্থার বলে এমপিরা সেনা প্রত্যাহারে বাধ্য করার এখতিয়ার রাখেন।

এএইচ