বুধবার বেইজিংয়ে একদিনের সংক্ষিপ্ত সফরে আসা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠক করেন ওয়াং ই। বৈঠকে তিনি দুই দেশকে কাতার সমঝোতার ধারাবাহিকতায় আলোচনা জোরদার করার আহ্বান জানান। ওয়াং ই স্পষ্ট করেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান সংঘাত ইয়েমেন ও লোহিত সাগরে ছড়িয়ে পড়ুক—এমনটা বেইজিং চায় না। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তা কাঠামো অপ্রতুল উল্লেখ করে এতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের তাগিদ দেন তিনি।
আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে এই কূটনৈতিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হল। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানান, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠকে ইরান ইস্যু এবং তেহরানের সঙ্গে চীনের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে।
ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা হিসেবে চীন শুরু থেকেই হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচলের পক্ষে কথা বলে আসছে। তবে তারা তেহরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো কঠোর অবস্থানে যায়নি। অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চীন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে বলে জানান ওয়াং ই।





