গত সপ্তাহে হুথিরা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব এল-মান্দেব প্রণালি ও লোহিত সাগর উপকূলের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয়ায় সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। প্রকাশ্যে বেইজিং সব পক্ষকে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানালেও গোপনে তেহরানের ওপর হুথিদের নিয়ন্ত্রণ করার তাগিদ দিয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ পথের ওপর চীনের অর্থনীতি গভীরভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় দেশটি এই উদ্যোগ নিয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, চীনের বার্তার জবাবে তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে আগে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। তবে হুথিদের বিষয়ে চীন অর্থনৈতিক কোনো শর্ত বা সরাসরি চাপ প্রয়োগ করেছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
চীন ইরানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দেশটির সমুদ্রপথে রপ্তানি হওয়া জ্বালানি তেলের ৮০ শতাংশের বেশি চীন কেনে। একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গেও চীনের প্রায় ৩০ হাজার কোটি ডলারের বার্ষিক বাণিজ্য রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার পর লোহিত সাগরে হুথিদের তৎপরতা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি প্রধান জ্বালানি পরিবহন পথই একসঙ্গে অচল হয়ে পড়বে, যা চীনের মতো বড় অর্থনীতির জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।





