এক পাকিস্তানি সরকারি কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে জানানো হয়, এসব চালানের মাধ্যমে ইয়েমেনি বাহিনীকে আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, হালকা কামান, ড্রোন ও ড্রোনবিধ্বংসী প্রযুক্তি সরবরাহ করেছে পাকিস্তান। সমরাস্ত্র পাঠানোর পাশাপাশি ইয়েমেনি বাহিনীকে মাঠপর্যায়ে কৌশলগত সহায়তা দিতে সৌদি সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে পাকিস্তানি সামরিক উপদেষ্টারাও সেখানে কাজ করছেন।
লোহিত সাগরের পুরো ইয়েমেনি উপকূল হুথিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব। সম্প্রতি তাইজ শহরের আশপাশে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। কৌশলগত এই শহর থেকে এডেন সংযোগকারী একটি প্রধান সেতু সম্প্রতি ধ্বংস করে দিয়েছে হুথিরা। তাইজের নিয়ন্ত্রণ হারালে এডেন শহর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার পাশাপাশি সরকারি বাহিনীর সরবরাহ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
হুথিদের অগ্রযাত্রা রুখতে বিমান হামলা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে সৌদি সামরিক বাহিনী। গত আগস্ট মাসে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি মক্কা চুক্তির একটি প্রাথমিক পরীক্ষা হিসেবেও পাকিস্তানের এই সামরিক সহযোগিতাকে দেখা হচ্ছে। এছাড়া হুথিবিরোধী অবস্থান সুসংহত করতে সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গেও সামরিক ও কূটনৈতিক সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে রিয়াদ।





