ক্যুইবেকের রাজনীতির মঞ্চে এবার একসঙ্গে চার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী। সেন্ট লরেন্ট থেকে সিএকিউ-এর তাহমিনা কবীর; ভারডুন থেকে কানাডিয়ান পার্টি অব কুইবেকের হয়ে ড. আব্দুর রশিদ; ভিইউ থেকে একই দলের আফরুজা হোসাইন; আর লরিয়ার ডরিয়ন থেকে লড়ছেন জেনিফার গোমেজ। চারটি আসন, চারজন প্রার্থী। কিন্তু বাস্তবতা একটাই; প্রতিটি আসনেই লড়াই কঠিন।
শক্তিশালী লিবারেল ভোটব্যাংকের বিপরীতে লড়তে হচ্ছে তাহমিনা কবীরকে। ভিইউ-তেও লিবারেলদের অবস্থান শক্ত। এই আসনে কানাডিয়ান পার্টি অব কিউবেক-এর প্রার্থী আফরুজা হোসাইন।
ভারদুন-এর গল্প কিছুটা ভিন্ন। ২০২২ সালের নির্বাচনে কিউবেক সোলজার মাত্র ৪৬১ ভোটের ব্যবধানে আসনটি জিতেছিলো। এবার অবশ্য নির্বাচনি প্রজেকশন লিবারেলদের দিকে ঝুঁকে আছে। এই আসনেই কানাডিয়ান পার্টি অব কিউবেক-এর হয়ে লড়ছেন ড. আব্দুর রশিদ।
আরও পড়ুন:
আর লরিয়ার ডরিওন-এ জেনিফার গোমেজের সামনে রয়েছে পিএলকিউ এবং কিউবেক সোলজার-এর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা। চার প্রার্থীর নির্বাচনি লড়াই যখন এমন কঠিন, তখন এবারের নির্বাচনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটও গুরুত্বপূর্ণ।
কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর প্রায় ৭ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের কুইবেকের রপ্তানি নতুন মার্কিন শুল্কের আওতায় পড়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্যুইবেকের কার্যকর শুল্কের হার প্রায় ১১ শতাংশে পৌঁছেছে। যা কানাডার প্রদেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
প্রদেশটির উৎপাদন, বনজ ও অ্যালুমিনিয়াম শিল্প তাই পড়েছে বড় ধরনের চাপের মুখে। এই অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই হচ্ছে এবারের প্রাদেশিক নির্বাচন। যাতে নিজেদের পরিচিত করাচ্ছেন বাঙালি প্রার্থীরা। কর্মক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করার পর এবার রাজনীতিতেও জায়গা করে নেয়ার এই প্রচেষ্টা তাই একটি বৃহত্তর যাত্রার অংশ।





