ব্রিটিশ পুলিশের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়, লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকা থেকে কাউন্টার টেররিজম পলিসিং ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করে। একই এলাকার একটি ভবনে তল্লাশিও চালিয়েছেন গোয়েন্দারা। গ্রেপ্তার তরুণ বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।
যুক্তরাজ্যের গ্লসস্টারশায়ারের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই তদন্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত এক হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে ঘাঁটিটি থেকে মার্কিন বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে ইরান যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে।
যুক্তরাজ্যের কাউন্টার টেররিজম পলিসিংয়ের সিনিয়র ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর ভিক্কি ইভান্স মঙ্গলবার বলেন, ‘এটি একটি চলমান তদন্ত। আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের আশপাশের ঘটনাবলি খতিয়ে দেখতে আমাদের বিশেষজ্ঞ দলগুলো একাধিক সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।’
এর আগে এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১ অক্টোবর গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিকও রয়েছেন। তারা সবাই বর্তমানে পুলিশি জামিনে রয়েছেন।





