এক দশকে বদলে গেল দৃশ্যপট; মেসির বিদায়ে আবেগে আর্জেন্টিনা

ফুটবল
এখন মাঠে
0

২০১৬ সালে জার্সি পোড়ানো। দশ বছরের ব্যবধানে পুরো দেশকে আবেগে ভাসিয়ে বিদায়। আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে লিওনেল মেসির আবেদন বাকি বিশ্বের চেয়ে বেশি কিছুই। বিশ্বসেরার বিদায়ে মনুমেন্তালের আশেপাশে জড়ো হন লাখো মানুষ।

স্টেডিয়ামে হয়ত ঠাঁই হয়নি। ভাগ্যবান ৮৫ হাজারের একজন হতে পারেননি। তবু, মেসির জন্য ভালোবাসায় মাঠের বাইরে ফ্যানজোনেই অপেক্ষা।

গোলের আনন্দ, মেসিকে শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখা কিংবা আলো ঝলমলে বিদায়ী অনুষ্ঠান. সব ছাপিয়ে ভক্তদের কাছে বিচ্ছেদের কষ্টটাই ছিলো মুখ্য। দিয়েগো ম্যারাডোনার পর ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৭ বছর আলবিসেলেস্তেদের নাম্বার টেন ছিলেন। সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে পার করেছেন দেড় দশক। ঘুচিয়েছেন ট্রফিখড়া। এমন একজনের জন্য ভালোবাসার বাইরে আর কিইবা দেয়ার আছে আর্জেন্টিনার?

আর্জেন্টাইনরা জানান, সে একজন আইডল। সর্বকালের সেরা। তারা বিদায় ম্যাচের সময় আমরা সবাই এক হয়েছি।

তবে, মেসি কি শুধুই ফুটবলার? কারো কাছে তিনি জীবনের বড় অনুপ্রেরণা-আর্জেন্টাইন তরুণদের স্বপ্ন দেখার কারিগর। আর কারো কাছে মেসি যেন জীবনের চেয়েও বেশি কিছু।

একজন আর্জেন্টাইন বলেন, ‘আমার বয়স ৭২ বছর। আমি ফুটবল ভালোবাসি। আমার কাছে মেসি ফুটবলের চেয়েও বেশি কিছু।’

সংবাদ সম্মেলনে এসে কোচ লিওনেল স্ক্যালোনিও জানালেন মেসির প্রতি কৃতজ্ঞতা। সেইসঙ্গে এলএমটেনের বিদায়ী বার্তার সুর টেনেই বললেন, তরুণদের নিয়েই এগিয়ে নিতে হবে আর্জেন্টিনার ফুটবলকে।

লিওনেল মেসিকে ছাড়া নতুন প্রজন্মের লড়াইটাও অবশ্য খুব একটা সহজ হবে না বলেই জানিয়েছেন কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি।

এফএস