প্রযুক্তিটি নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ দূর করতে এবং একে বিশ্বমঞ্চে আরও ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে ট্রাম্প প্রশাসন এই নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে এআইয়ের নাম পরিবর্তন করে এসআই করেছে। হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইট থেকেও ইতিমধ্যে এআই শব্দটি সরিয়ে এসআই প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যদিও ওয়েবসাইটের ডোমেইন এখনো এআই.গভ রয়ে গেছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ব্যবহারকারী ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্কের কাছে জানতে চান, তিনি তার কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে স্পেসএক্সএসআই করবেন কি না। জবাবে মাস্ক ইতিবাচক সাড়া দিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা এই পরিবর্তনটি করব।’
এআই নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া আশঙ্কার বিষয়গুলোকে ট্রাম্প বরাবরই ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি ওপেনএআই প্রধান স্যাম অল্টম্যান, অ্যানথ্রোপিকের ডারিও আমোদেই, মেটার মার্ক জাকারবার্গ, এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং এবং ইলন মাস্কসহ শীর্ষ প্রযুক্তি নির্বাহীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি জানান, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরাই নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করবে, সরকারের বাড়তি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন নেই।
চীনকে পেছনে ফেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রকে শীর্ষে রাখার ওপর জোর দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘যে এআইয়ে জিতবে, সে-ই বিশ্ব জয় করবে।’





