মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে হুথিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আলি আল-হুথি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে যখন এই অঞ্চলের প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা চালাতে তেহরানে গেছেন, ঠিক সেই সময়েই সৌদি আরবকে কথিত প্রতিরক্ষামূলক সহায়তা দিয়ে মিসর মূলত ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের উত্তাপ কমাতে সোমবার তেহরান সফর করেন সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন। সেখানে তারা ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজায়ির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। এছাড়া এই প্রতিনিধিদল ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে।
সম্প্রতি সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক পবিত্র নগরী মক্কায় ন্যাটোর আদলে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, অংশীদার তিন দেশের যেকোনো একটি বহিরাগত আক্রমণের শিকার হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে। সেই আঞ্চলিক মেরুকরণের মধ্যেই সৌদির সমর্থনে মিসরের এমন সামরিক পদক্ষেপ পুরো সংঘাতকে আরও উসকে দিচ্ছে বলে দাবি করলো হুথিরা।





