সাফের প্রাথমিক দল নিয়ে বিতর্ক, গোলরক্ষকদের পাশে সাবেক অধিনায়ক

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বিপ্লব ভট্টাচার্য
বিদেশে এখন
0

বাংলাদেশে প্রতিভাবান গোলরক্ষক থাকলেও পরিণত বয়সে ভালো গোলরক্ষক পাওয়া কঠিন বলে মনে করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বিপ্লব ভট্টাচার্য। বয়সভিত্তিক এবং জাতীয় দলের সাবেক এই কোচ মনে করেন, ঘরোয়া ফুটবলে পারফর্মারদের সুযোগ না দেয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবে অনেক গোলরক্ষকই নিজেদের প্রমাণ করতে পারছেন না বড় মঞ্চে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশ। তবে, শুরুর আগেই সঙ্গী বিতর্ক। দলের এক নম্বর পজিশনটা যাবে কার কাছে? মেহেদি হাসান শ্রাবণই কী তবে থমাস ডুলির দলের অটোমেটিক চয়েজ?

সাফে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে গোলরক্ষক পজিশন নিয়ে। প্রায় ৫ মাস কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ না খেলা মিতুল মার্মাকে রাখা হয়েছে দলে। ঘরোয়া ফুটবলে আবাহনীর হয়ে এক ম্যাচও খেলা হয়নি সাবেক নাম্বার ওয়ান গোলরক্ষকের। আবার লিগে পারফর্ম করেও জিকো চান্স পায়নি প্রাথমিক দলে। মোহামেডানের জার্সিতে চার ক্লিনশিট যেন চোখেই পড়েনি কোচের। আবার জিকোর কারণে সাইডবেঞ্চে থাকা সুজন আবার ডাক পেয়েছেন সাফের প্রাথমিক দলে।

এদিকে একেবারেই শেষ সময়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিয়েই ক্যাম্পে আনা হয়েছে পুলিশ এফসির গোলরক্ষক আসিফ এবং সিটি ক্লাবের ইসহাক আকন্দকে। এতসবের ভিড়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে গোলরক্ষক কোচ এবং থমাস ডুলিকে নিয়ে। গোলবারের নিচে এসব পরিস্থিতি নিয়ে সাবেক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য বেশ সরব। তার ভাষ্য, প্রতিভাবান গোলরক্ষক দলে থাকলেও তারা পারফর্মার হতে পারছেন না।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘এই যে গোলকিপার কিন্তু আমরা চাইলেও কিন্তু ভালো মানের গোলকিপার আসে না। আমরা যেই গোলকিপারগুলোকে আসছে, তাদেরকে কিন্তু আমরা সাইকোলজিক্যালভাবে শেষ করে দিচ্ছি, নষ্ট করে দিচ্ছি। এই যে আপনার খেলা না খেলানো এবং ম্যাচ খেললে ধরেন নানা ধরনের বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে, তাহলে পারফরম্যান্স কীভাবে হবে? সাইকোলজিক্যাল জায়গাটা খুবই একটা ইম্পর্টেন্ট জায়গা, রোল প্লে করে। আমাকে যদি কন্টিনিউয়াস বুলিং করা হয়, তাহলে আমি ভালো পারফরম্যান্স করতে পারবো না।’

সব বিতর্ক পেছনে ফেলে অবশ্য বিপ্লব চান বর্তমান দলকে বাইরের চাপমুক্ত রাখতে। অন্তত দেশের স্বার্থেই শ্রাবণ-মিতুল আর সুজনদের সমালোচনা থেকে কিছুটা সরে আসতে চান সাবেক অধিনায়ক।


এএম