ইউরোপজুড়ে জেন জি বা নতুন প্রজন্মের ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের অংশ হিসেবে ‘জেন জি রেগেল্ট’ বা ‘জেন জি দায়িত্ব নিচ্ছে’ নামের সংগঠনের উদ্যোগে বার্লিন, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও মিউনিখসহ ৩৪টি শহরে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। হ্যালোউইনের রাতে আয়োজিত এই বিক্ষোভে কয়েক হাজার তরুণ অংশ নেন। ফ্রাঙ্কফুর্টে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে শহরের বেশ কিছু দোকানে লুটপাট চালানো হয় এবং পুলিশের ওপর মলোটভ ককটেল (পেট্রোল বোমা) নিক্ষেপ করা হয়।
ফ্রাঙ্কফুর্ট পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় বাসিন্দাদের শহরের কেন্দ্রস্থল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। সহিংসতা রুখতে এবং ফ্রান্সের মতো ভয়াবহ লুটপাট এড়াতে বার্লিনের বিলাসবহুল শপিং সড়কগুলোর দোকানপাটে কাঠের তক্তা দিয়ে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছিল। জার্মানির হেসে প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমান পোসেক বলেন, ‘ফ্রান্সে আমরা ঘরের আগুন ও লুটপাটের যে চিত্র দেখেছি, তা যেন জার্মানিতে মডেল হিসেবে রূপ না নেয়।’
আন্দোলনকারীদের প্রধান মুখপাত্র লিনা ফ্রিডরিখ বার্লিনে জানান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বাধ্যতামূলক সামরিক চালুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই তারা লড়াই করছেন। তবে এই আন্দোলনে কট্টর বামপন্থি ও উগ্র গোষ্ঠী ঢুকে সহিংসতা উসকে দিচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অর্থনৈতিক মন্দা ও জরাজীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংস্কার না হলে চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তরুণরা।





