আজ (শুক্রবার, ৮ মে) সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর অমিত শাহকে স্বাগত জানান রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্যসহ শীর্ষ নেতারা। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি চলে যান দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে। সেখানে পূজা দিয়ে নিউ টাউনের একটি হোটেলে যান তিনি। দুপুরে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজয়ী প্রার্থীদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিজেপি সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই নির্ধারিত হবে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর নাম।
দলীয়ভাবে কোনো নাম ঘোষণা না হলেও রাজনৈতিক মহলে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামই সবচেয়ে জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে তার ধারাবাহিক সাফল্য ও এক অনন্য নজির। ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করার পর এবারও তার খাসতালুক ভবানীপুরে গিয়ে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন শুভেন্দু। এছাড়া নিজের পুরোনো কেন্দ্র নন্দীগ্রামেও তৃণমূল প্রার্থীকে প্রায় ১০ হাজার ভোটে হারিয়েছেন তিনি। টানা দুবার দাপুটে নেত্রী মমতাকে ‘নির্বাচনি যুদ্ধে’ পরাস্ত করার এই কৃতিত্বই তাকে পদের দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নতুন সরকারের শপথের দিনে তিনি বাংলায় আসবেন। সেই কথা রাখতে শনিবার সকালে দিল্লি থেকে বিশেষ বিমানে কলকাতায় পৌঁছাবেন তিনি। সকাল সাড় ১০টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর হেলিকপ্টারে আরসিটিসি হেলিপ্যাড হয়ে সড়কপথে পৌঁছাবেন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থেকে নতুন সরকারের শপথের সাক্ষী থাকবেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে বিকেলেই তার দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
ঐতিহাসিক এই জয়ের পর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কার মাথায় ‘তিলক’ ওঠে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে পুরো বাংলা। রাতের বৈঠকের পরই হয়তো মিলবে সেই বহু প্রতিক্ষিত ঘোষণা।





