খরায় শুকিয়ে গেছে পানির উৎস, তীব্র সংকটে ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ায় পানির সংকট
এশিয়া
বিদেশে এখন
0

শুষ্ক মৌসুমে অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে তীব্র সুপেয় পানির সংকটে ইন্দোনেশিয়ার বানতেন প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল। নদী, ঝর্ণাসহ পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে পানি সংগ্রহ করছেন বাসিন্দারা। শুষ্ক এই মৌসুমে পানির বিকল্প উৎস নির্ধারণে কর্তৃপক্ষের সহায়তা চান তারা। আর আবহাওয়াবিদদের শঙ্কা, এল নিনোর কারণে দীর্ঘায়িত হবে খরা পরিস্থিতি।

ভৌগোলিক অবস্থান ও টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে থাকার কারণে বিশ্বের দুর্যোগপ্রবণ দেশগুলোর একটি ইন্দোনেশিয়া। আকস্মিক বন্যা, সুনামি, ভূমিধসের মতো ঘটনায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রায়ই সংবাদের শিরোনামে থাকে এশিয়ার দেশটি।

এবার শুষ্ক মৌসুমে অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে তীব্র সুপেয় পানির সংকটে ইন্দোনেশিয়ার বানতেন প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল। শুকিয়ে গেছে নদী, পাহাড়ি ঝর্ণাসহ পানির প্রায় সব প্রাকৃতিক উৎস। জীবন বাঁচাতে প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহের জন্য বোতল হাতে দুর্গম পথ পাড়ি দিচ্ছেন বাসিন্দারা।

পানির সংকট কিছুটা লাঘবে পাহাড়ের গায়ে তৈরি করা হয়েছে বাঁশের নল। সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর যতটুকু পানি মিলছে তাই দিয়েই দিনের প্রয়োজনীয় কাজ সারছেন বাসিন্দারা। এমনকি পানি বণ্টন প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু করতে গঠন করা হয়েছে কমিটিও।

স্থানীয়দের মধ্যে একজন বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে রেশনিং ভিত্তিতে পানি বণ্টন করা হয়। আমাদের গ্রামে ১২ জনের একটি দল এই সরবরাহ ভাগ করে নেয় এবং প্রত্যেকে প্রায় আট গ্যালন পানি পায়।’

তবে বাসিন্দাদের শঙ্কা, শুষ্ক মৌসুম যত দীর্ঘায়িত হবে, পানির উৎস ঝর্ণা আরও সংকুচিত হবে, সংকট আরও বাড়বে। এ কারণে শুষ্ক মৌসুমে বিকল্প পানির উৎস নির্ধারণ ও পানি সংরক্ষণের অবকাঠামো নির্মাণে সরকারের সহায়তা চান ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমাদের সত্যিই সাহায্যের প্রয়োজন। মনে হয় ঝর্ণার জল শিগগিরই ফুরিয়ে যাবে। এ কারণে জল জমিয়ে রাখতে হবে।’

আবহাওয়াবিদদের শঙ্কা, প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিস্থিতি এল নিনোর কারণে সামনের দিনগুলোতে খরা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে।

এসএস