ক্রিপ্টো বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, দেশটির সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীভূত আর্থিক ব্যবস্থার পরিবর্তে বিকেন্দ্রীকৃত দিকে অর্থাৎ পিয়ার-টু-পিয়ার ডিজিটাল অর্থ ব্যবস্থা ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে।
তাদের মতে, সম্প্রতি ইরানের রিয়ালের দ্রুত মূল্যের পতন এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা অনেককেই সরকারি নিয়ন্ত্রিত চ্যানেলের বাইরে বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করেছে। এর আগেও চেইনালিসিস ইরানের একই রকম ধারা লক্ষ্য করেছে, যার মধ্যে রয়েছে—কেরমান বোমা হামলা, ইরানের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ১২ দিনের যুদ্ধে দেশটির নোবিটেক্স এক্সচেঞ্জে ৯০ মিলিয়ন ডলার হ্যাকের ঘটনা।
আরও পড়ুন:
চেইনালিসিস আরও জানায়, যদিও বিটকয়েন সাধারণ নাগরিকদের আর্থিক সংস্থাকে থেকে মুক্তি করেছে, একই প্রযুক্তির মাধ্যমে ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়ার জন্যেও ব্যবহার করছে।
চেইনালিসিসের হিসাব অনুযায়ী, দেশেটির মোট ক্রিপ্টো ট্রেডিংয়ের প্রায় অর্ধেক এ সংগঠন পরিচালনা করে, যা প্রায় ৭ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারের সমান।
স্টারলিংক ও নোগতাহার মতো মেশ-নেটওয়ার্কিং অ্যাপের মাধ্যমে ইরানিরা ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মধ্যেও সংযোগ রক্ষা করতে পারছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিটকয়েনের দ্বৈত ভূমিকা— ইরানের সাধারণ নাগরিকদের জন্য মুক্তির পথ এবং স্বৈরশাসক সরকারের জন্য আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর হাতিয়ার।




 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)
