কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলা: ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৩ দেশ

কাতারের রাস লাফানে হামলা
মধ্যপ্রাচ্য
বিদেশে এখন
1

কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। জ্বালানি বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শঙ্কা, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বেশি ও পুনরায় কার্যক্রম শুরু করতে সময় লাগায় বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে এশিয়ার তিন দেশ। এদিকে চলমান সংঘাতের ফলে উদীয়মান দেশগুলোর অর্থনীতিকে বাঁচাতে আইএমএফসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।

দীর্ঘায়িত হচ্ছে ইরান যুদ্ধ। তেহরানের সরকারি বেসরকারি স্থাপনাগুলোতে হামলার জবাবে শুরুতে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে অভিযান চালায় আইআরজিসি। তবে নতুন করে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করছে তেহরান।

নতুন করে কাতারের এলএনজি টার্মিনাল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বড় ধরনের বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহতের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। জ্বালানি খাত নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্যমতে, বাংলাদেশের এলএনজি আমদানির ৭০ শতাংশের যোগান দেয় কাতার। আর ভারত ও পাকিস্তান কাতার থেকে যথাক্রমে ৪০ ও ৯৯ শতাংশ এলএনজি আমদানি করে।

আরও পড়ুন:

হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে মার্চ থেকে এলএনজি উৎপাদন সাময়িক বন্ধ করে রাস লাফান। জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পুনরায় স্থাপনাটি চালু করতে অনেক বেশি সময় লাগতে পারে।

এছাড়া বিশ্লেষকদের শঙ্কা, পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে ঝুঁকিতে পড়বে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো।

আলভারেজ অ্যান্ড মার্সালের গ্লোবাল হেড রেজা বাকির বলেন, ‘পাকিস্তান ও মিশরের মতো যে দেশগুলো প্রচুর পরিমাণে পেট্রোলিয়াম আমদানি করে তারা চলমান জ্বালানি অস্থিরতায় ঝুঁকির মুখে পড়বে। দ্বিতীয়ত, যেসব দেশের চলতি মূলধন সংকট ও বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য নেই তারা সংকটে রয়েছে।’

এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ চলমান সংঘাতের কারণে পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সাহায্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

এসএস