মানসিক স্বাস্থ্য বিতর্কে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের মুখোমুখি জাকারবার্গ

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের মুখোমুখি জাকারবার্গ
উত্তর আমেরিকা , দক্ষিণ আমেরিকা
বিদেশে এখন
0

ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের প্রভাবে তরুণ ব্যবহারকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি সংক্রান্ত মামলায় প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। এ সময় তিনি জানান, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারের অনুমতি নেই। গতকাল (বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি) ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলসে জুরি ট্রায়ালে তিনি এ কথা বলেন।

একটা সময় ছিলো যখন অবসর পেলেই শিশু কিশোররা খেলায় মেতে উঠত মাঠে কিংবা বাড়ির ছাদে। কিন্তু বর্তমানের সময়ে এমন কিছু খুব একটা চোখে পড়ে না। তারা এখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেয় মোবাইলের স্ক্রীনে। লাইক কমেন্ট আর শেয়ারের মাঝে বাধা পড়ে গেছে তরুণ সমাজ।

বিভিন্ন গবেষণা বলছে, এ ডিজিটাল আসক্তির মূল কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এলগরিদম। একের পর এক পোস্ট, স্ট্যাটাসে আসক্ত তরুণ সমাজ। ঠিক তেমনই একজন, এবার ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

আরও পড়ুন:

ক্যালিফোর্নিয়ার এ নারীর দাবি এসব অ্যাপ তার বিষণ্ণতা ও আত্মহত্যা প্রবণতাকে বাড়িয়েছে। শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জেনেও কোম্পানিগুলো তাদের আসক্ত করে বেশি লাভের চেষ্টা করেছে। এজন্য তিনি কোম্পানিগুলোর বিচার চান। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাকারবার্গ।

মেটার প্রধান মার্ক জাকারবার্গ আদালতে জানান, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের অনুমতি দেয়া হয় না। এ সময় তাকে আইনজীবীরা কিছু গোপন নথিপত্র দেখান। যেখানে দেখা যায়, কোম্পানিটি জানত যে লাখ লাখ শিশু তাদের অ্যাপ ব্যবহার করছে। বাচ্চারা অনেক সময় তাদের বয়স নিয়ে মিথ্যা বলে অ্যাপে ঢুকে পড়ে জানিয়ে জাকারবার্গ জানান ব্যবহারকারীর বয়স জানা অ্যাপ নির্মাতাদের জন্য প্রায় অসম্ভব।

এ মামলায় হেরে গেলে মেটাকে ক্ষতিপূরণও গুনতে হতে পারে। পাশাপাশি প্রযুক্তি জায়ান্টদের আইনি সুরক্ষাও দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জেআর