ঝুলে থাকা জিহ্বা, হাঁটতে না পারা, হালকা পশমসহ শারীরিক গঠনের নানা অস্বাভাবিকত্বের কারণে যেসব কুকুর বঞ্চিত হয় স্নেহ-মায়া মমতা থেকে, পরিচিতি পায় কুৎসিত কুকুর হিসেবে। এসব প্রাণীর অনন্য সৌন্দর্যকে তুলে ধরতে ও পোষ্য হিসেবে গ্রহণের পক্ষে প্রচারণা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বিশ্ব কুৎসিত কুকুর প্রতিযোগিতার ৫০তম আসর’।
স্কুটার, ক্লারা, পিঙ্কিসহ নানা রঙ্গের ও গড়নের কুকুর হাজির হয় এ প্রতিযোগিতায়। এসময় এসব কুকুরকে পোষ্য হিসেবে গ্রহণের পক্ষে যুক্তি তুলের ধরেন কুকুরপ্রেমিরা।
কুকুর পালকদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমি কুকুরটিকে চার বছর ধরে পুষছি। সত্যি বলতে, এটি একটি বিশেষ অনুভূতি। আমার ধারণা, কিছু কুকুর মানুষকে ভালো কিছু শেখানোর জন্য পৃথিবীতে জন্মায়। স্কুটারও এমন। স্কুটার সহানুভূতি, ধৈর্য ও সহনশীলতা শেখায়।’
অন্য একজন বলেন, ‘এটি দারুণ প্রতিযোগিতা। যা কুৎসিত কুকুর উদ্ধার ও দত্তক নেয়ার পক্ষে প্রচারণা চালায়।’ শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপের দেশ পোল্যান্ড ও এশিয়ার দেশ চীন থেকেও নিজেদের পোষ্য কুকুর নিয়ে অনেকে অংশ নেয় প্রতিযোগিতায় ।
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘কুকুরগুলো হয়তো নিখুঁত নয়। বয়স্ক ও অসুস্থ। কিন্তু এগুলো আপনাকে স্নেহ ও ভালোবাসা শেখাবে।’
এবারে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে জিনি লু নামে ছয় বছর বয়সী একটি পাগ প্রজাতির কুকুর। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে যথাক্রমে পিঙ্কি ও অটো।





