আজ (বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সোনারগাঁ থানার টিপুরদী এলাকায় মোবাইল ডিউটিতে থাকা পুলিশ সদস্যরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারেন, একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে বিপুল ইয়াবার চালান কুমিল্লা থেকে ঢাকার দিকে নেয়া হচ্ছে। তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মোগড়াপাড়া এলাকার মেনিখালী সেতুর কাছে মদিনা টাওয়ারের সামনে ঢাকাগামী সড়কে অবস্থান নেয়।
পরে সন্দেহভাজন একটি ব্যক্তিগত গাড়িকে থামানোর সংকেত দিলে গাড়িতে থাকা দুজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ আলমগীরকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পুলিশের দাবি, পরে আলমগীরের দেখানো ও উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে গাড়ির ভেতর থাকা একটি কালো স্কুলব্যাগ থেকে ৪২ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
মামলার বিচারকাজে রাষ্ট্রপক্ষে মোট সাতজন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষীদের বক্তব্য ও উপস্থাপিত অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আলমগীরকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. নজরুল ইসলাম মাসুম। রায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।’





