মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগটি ২০১১ সালের ১১ জুলাইয়ের। ওই দিন রাতে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় তার সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল ও মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার দায় রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তৃতীয় অভিযোগেও একই সময়পর্বে আরও ৫০ জন হত্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নেন আদালত। পরে ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মামলার বিচার প্রক্রিয়া আরও অগ্রসর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





