ট্রাইব্যুনালের এ রায়ে পলাতক মশিউর ও আসাদুজ্জামানের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এ মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিরা হলেন— রংপুরের কমিশনার মনিরুজ্জামান, এডিসি আবু মারুফ হোসেন ওরফে টিটু, এডিসি শাহ নূর আলম পাটোয়ারী ওরফে সুমন, এসি আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন, বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব, এএসআই (সশস্ত্র) আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, মশিউর রহমান, আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ, রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান ওরফে তুফান, মো. মনিরুজ্জামান পলাশ, পোমেল বড়ুয়া, মাহাফুজুর রহমান শামীম, ফজলে রাব্বী, আখতার হোসেন, সেজান আহম্মেদ ওরফে আরিফ, ধনঞ্জয় কুমার ওরফে টগর, বাবুল হোসেন, ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ, মাসুদুল হাসান ওরফে মাসুদ, মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নূর আলম মিয়া, মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু, একেএম আমির হোসেন ওরফে আমু, আনোয়ার পারভেজ ও ডা. সারোয়াত হোসেন ওরফে চন্দন।
তাদের মধ্যে সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জন পলাতক। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসানসহ ৬ জন কারাগারে আছেন।
৩০ আসামির বিপরীতে ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদের বাবাসহ ২৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। পাঁচ মাস ২০ দিনে বিচার কাজ শেষ করে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়া হয়।





