এর আগে ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর এ মামলায় বিচারিক আদালত জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ভাইস চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর বাইরে মারা যাওয়ায় মামলা থেকে আরও কয়েকজন অব্যাহতি পান।
অভিযোগ গঠনের বৈধতা নিয়ে মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে গত বছর হাইকোর্টে আবেদন করেন মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল দিয়ে মোয়াজ্জেম হোসেনের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন।
রুলে মামলাটির কার্যক্রম কেনো বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। আজ রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে রায় দেয়া হলো।
২০০৮ সালে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি করা হয়। মামলায় বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন ও আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়। একই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল দুদক।





