রাজধানীর শপিং মলগুলোতে দেশি-বিদেশি পণ্যের পসরা; জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

রাজধানীর শপিংমলগুলোতে দেশি-বিদেশি পণ্যের পসরা
বাজার
1

ঈদ ঘিরে বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। শিশুদের মধ্যে রয়েছে বাড়তি উচ্ছ্বাস। বিপণীবিতানের শিশু কর্ণার প্রাণ ফিরে পেয়েছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। পরিবারের ছোট সদস্যদের নিয়ে দোকানে দোকানে ঘুরছেন বাবা-মায়েরা। এছাড়াও মেয়েদের থ্রি-পিস এবং কসমেটিকসের দোকানেও দেখা গেছে ভিড়।

ঈদে শিশুদের মনে থাকে বাড়তি আনন্দ। আর এ আনন্দে পূর্ণতা পায় ঈদের নতুন জামা। তাই তো ঈদ এলেই শিশুদের নিয়ে সব বাবা-মায়ের থাকে বাড়তি পরিকল্পনা।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের টোকিও স্কয়ার শপিং মলের শিশু কর্নারের চিত্র এমন যে, বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন বয়সী শিশুর ভিড়ে কানায় কানায় পূর্ণ সব দোকান। সবার একটাই চাওয়া, ঈদে পছন্দের ডিজাইন আর বাহারি রঙের পোশাক।

শিশুদের চাহিদা মেটাতে দেশি-বিদেশি পোশাকের পশরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। রয়েছে ৬ মাস থেকে ১৬ বছর পর্যন্ত বয়সীদের বিভিন্ন ডিজাইনের ড্রেস। রয়েছে বাবা-মায়ের সাথে ম্যাচিং করে জামা কেনার সুযোগও।

বিক্রেতারা জানান, প্রায় সব বয়সের মানুষের জন্য পোশাক রেখেছেন তারা। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে দেশের বাইরে থেকে আসা বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাকের কথাও তুলে ধরেন তারা।

আরও পড়ুন:

বরাবরের মতো এবারের ঈদেও চাহিদার দিক দিয়ে এগিয়ে মেয়েদের দেশি-বিদেশি ডিজাইনের ড্রেস। আর এ কারণে থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, শাড়ীর দোকানগুলোতে বিভিন্ন বয়সী মেয়েদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

ক্রেতারা জানান, অনেক ডিজাইন ও ভালো মানসম্মত হলেও এখানে দাম কিছুটা বেশি। এছাড়া ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, দাম ততই বাড়তে পারে বলেও ধারণা করছেন তারা।

ঈদ ঘিরে কসমেটিকসের চাহিদাও নেহাত কম নয়। যদিও অনেক ক্রেতাই পছন্দের কসমেটিকস কিনতে বেছে নিচ্ছেন বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। তবে ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বিক্রি বাড়বে বলে প্রত্যাশা দোকানিদের।

দোকানিরা জানান, এখনো সেভাবে ক্রেতাদের ভিড় দেখছেন না তারা। তবে ঈদের কয়েকদিন আগে থেকে ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়তে পারে এবং ভালো বেচাকেনা হতে পারে বলেও আশা রাখছেন তারা।

রমজানে রাজধানীর ছোট-বড় বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে ক্রেতারা পছন্দের পণ্য ক্রয় করতে ভিড় করছেন সকাল থেকেই। তবে ইফতারের পর ক্রেতা সমাগম আরও বাড়ছে। নিজেদের সামর্থের সবটুকু দিয়ে পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা তাই অভিভাবকদের।

এসএইচ