সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কমছে না দাম; সবজির দামে বাড়তি উত্তাপ

রাতের কারওয়ান বাজার
কাঁচাবাজার
বাজার
0

রাজধানীর কাঁচাবাজারে এখনো পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। টানা বৃষ্টিপাত, বর্ষা মৌসুম আর আসন্ন কোরবানির ঈদ- এই তিন প্রভাবে রাজধানীর সবজির বাজারে এরই মধ্যে বাড়তি দামের আভাস মিলেছে। যদিও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তবুও, বাজারে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ অনুভব করছেন ক্রেতারা।

রাতভর পাইকারি বাজারে ট্রাক থেকে নামছে কৃষিপণ্য। ভোর হতেই সেসব সবজি ছড়িয়ে পড়ছে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বৃষ্টি আর আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কিছু সবজির দাম বাড়ার আভাস মিলছে বাজারে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়, মিষ্টি কুমড়া কেজিতে ১৮ থেকে ২৫ টাকায়। তবে কিছুটা বাড়তি দামে তাল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং সজনে ডাটা বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়।

আলুর বাজার এখনও কিছুটা স্বস্তিতে। কেজিপ্রতি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়। তবে, গাজরের মূল্য বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৯০ টাকায়। এছাড়াও, রসুন ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, আদা ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা এবং শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায়। তবে, ঈদ সামনে রেখে এখনও মোটামুটি স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে পেঁয়াজের বাজার, কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৪০ টাকায়।

আরও পড়ুন:

গত দুই সপ্তাহ ধরে বাড়তির দিকে শশার বাজার। বর্তমানে কেজিপ্রতি শশা বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। তবে স্থিতিশীল রয়েছে কাঁচা মরিচের দাম, কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে কিছু পণ্যের সরবরাহে প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে বাজার পুরোপুরি অস্থির না হলেও ঈদ কেন্দ্র করে চাহিদা বাড়লে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।

বিক্রেতারা জানান, এখন সবজির বাজার বাড়তি চলছে। ঈদের পর বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা দেখছেন তারা।

আর ক্রেতাদের দাবি, বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে।

ক্রেতার জানান, আগে যে সব সবজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় কিনতাম এখন তা বেড়ে ৭০ টাকা হয়েছে। বাজারে বৃষ্টির কারণে সব সবজির দামই চড়া।

বর্ষা মৌসুম, বৃষ্টির প্রভাব আর সামনে ঈদ— এই তিন কারণে এখন থেকেই সবজির বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির শঙ্কা দেখছেন ক্রেতা-বিক্রেতা দু'পক্ষই। তাই সাধারণ মানুষের স্বস্তি ধরে রাখতে বাজার তদারকি বাড়ানোর তাগিদ সংশ্লিষ্টদের।

এফএস