বৈঠকে ব্যবসায়ীরা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান বন্ধ, এলপিজির সরবরাহ বাড়ানো এবং কমিশন নির্ধারণের দাবি জানান। তারা অভিযোগ করেন, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো বিইআরসি নির্ধারিত দামে পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে এলপিজি বিক্রি করছে না। এ কারণে সরকারি নির্ধারিত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন:
এ সময় কয়েকটি কোম্পানি পাশ্ববর্তী দেশে এলপিজি রপ্তানি করছে বলেও অভিযোগ করেন তারা; যার ফলে দেশে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিইআরসি চেয়ারম্যান বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি এলপিজির সরবরাহ বাড়ানোর জন্য এরই মধ্যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিইআরসি চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করে বলেন, এসব পদক্ষেপের ফলে খুব শিগগিরই এলপিজি সরবরাহ সংকট কেটে যাবে।





