সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচন হবে। এতে কোথাও কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই। আমরা কোনো প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলছি না, আমরা জনগণের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা যেন সমান সুযোগ পায়, এটা প্রমাণ করবেন। প্রশাসন মোটেও কোনো পক্ষপাতিত্ব করবে না।’
ছাত্রদলের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখবে। ২২ জানুয়ারি প্রচার প্রচারণা শুরু হবে। এরপর যদি কেউ সভা সমাবেশ করে সেটা নির্বাচন কমিশনের আয়ত্তে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে আরও ভালো জায়গায় দ্রুত নিয়ে যেতে হবে। এটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আপনি যাকে ভোট দিয়েছেন তিনি হোক আর অন্য কেউ হোক আপনার সমান অধিকার তাকে দিতে হবে। মানুষ হবে অডিটরের মতো। অডিটর যেমন নিরীক্ষা করে, টাকা পয়সার হিসেব চায়। আপনারাও টাকা পয়সা, কাজকর্মের হিসাব পাবেন। এতে আপনারা গ্রহণযোগ্যতা পাবেন। এটি হবে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের সবচেয়ে বড় সাফল্য।’
জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান (এনবিআর) আব্দুর রহমান খান, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক, সদর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর মেজর রাহাত খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক জসীম উদ্দীন, রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদসহ আরও অনেকে।





