নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে কড়া নিরাপত্তা, ভোটের মাঠে থাকবে প্রায় ১০ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য
দেশে এখন
0

নির্বাচনি সহিংসতা ঠেকাতে আগে থেকেই মাঠে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী সাতদিনের জন্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে মোতায়েন শুরু হয়েছে বিভিন্ন বাহিনীর ৯ লাখ ৭০ হাজার সদস্য। এছাড়াও দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজারের বেশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ভোট গ্রহণের সময় সহিংসতার খবর পেলেই একযোগে কাজ করবে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, ব্যাটালিয়ান আনসার ও পুলিশ সদস্যরা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মতে- এরইমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে বলা হয়েছে নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করতে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন।

আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার সদস্য, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমানবাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র‌্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ জন, চৌকিদার দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে। যারা এরইমধ্যে মাঠে কাজ শুরু করছে। যার ধারাবাহিকতায় সকালে তেজগাঁও আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ঢাকা-১২ আসনে নির্বাচনি মহড়া দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আরও পড়ুন:

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, মহড়ার মাধ্যমে প্রার্থী ও সমর্থকদের বার্তা দেয়া হলো নির্বাচন কেন্দ্রিক কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানো যাবে না।

ডিএমপির তেজগাঁও জোনের এডিসি রব্বানী হোসেন বলেন, ‘এ মহড়ার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে একটি সচেতনতা তৈরি করার যায়। তারা বুঝতে পারবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে আছে। নির্বাচন কেন্দ্রীক কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানো যাবে না, এ মেসেজটা তাদের মধ্যে পৌঁছে যায়। প্রত্যেকটা কেন্দ্র সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার বাহিনী থাকবেন। যাতে কোনো ধরনের সহিংস ঘটনা না ঘটে।’

এরইমধ্যে ঢাকা-১২ আসন থেকে শুরু করে সব আসনের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে দায়িত্বরতরা।

জেআর