জ্বালানি তেল বিক্রির পরিমাণের সীমা বেঁধে দেয়ার পর ফিলিং স্টেশনগুলো দিনভর যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। তবে সন্ধ্যার পর রাজধানীর কিছু ফিলিং বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন চালকরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে অনেকে তেল নিতে পারলেও কেউ কেউ খালি হাতে ফেরেন। যে কয়েকটা খোলা ফিলিং স্টেশন, রাতেও সেখানে সারিবদ্ধভাবে গাড়ি প্রবেশ করাতে দেখা যায়।
চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে তেল নিতে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। পাশাপাশি পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও ফিলিং স্টেশনগুলো তেল দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন অনেকেই।
গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পেয়ে আবার ফেরত আসা লাগছে তাদের। মজুত থাকার পরেও তেল দিচ্ছে না অনেক স্টেশন। ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার বেশি তেল নেয়া যাচ্ছে না।
এদিকে সরকারি নির্ধারিত তেলের সীমা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাইড শেয়ার করা বাইকাররা। তাদের অভিযোগ, ট্রিপের কারণে তাদের অতিরিক্ত তেলের প্রয়োজন হয়।
পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ফিলিং স্টেশনে কর্মকর্তারা। তারা জানান, সীমা বেধে দেয়ায় রোববার কম তেল বিক্রি হয়েছে।
মেঘনা ফিলিং স্টেশনের ইনচার্জ এস এম হাবিবুল্লাহ বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে। আমরা সারাদিন আজকে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দিতে পারবো। আমাদের কোনো স্বল্পতা নাই।
সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার হিমালয় মন্ডল বলেন, ভিড় যতই দেখছি ভিড় কিন্তু কমছে না। সকালে যে লাইন দেখেছি এখনও সেই লাইন। তাহলে আমরা যেগুলো সার্ভিস দিলাম সেগুলো তো কমার কথা।
বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী দিনের সংকট কাটাতে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানিতেও কাজ করার কথা জানিয়েছে সরকার।





