নিহত আয়শার বাবা মো. ইকবাল জানান, তারা থাকেন ৮ নম্বর লেনে। তাদের পাশের বাড়িতে থাকে মরিয়মের পরিবার। দুপুরে বাসায় ছিলেন তিনি। এসময় রাস্তায় খেলা করছিল দুই শিশু।
তিনি জানান, তাদের পাশেই একটি পুরাতন বাড়ি ভেঙে নতুন করে বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। বাড়িটির বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙা হয়নি। ভিতরে ওয়ালের পাশেই রাখা ছিল ইট, বালু।
আরও পড়ুন:
আয়েশা ও মরিয়ম যখন ঠিক ওয়ালের পাশে রাস্তায় খেলছিল, তখনই সেই পুরাতন ওয়ালটি ধসে তাদের উপর পড়ে। এতে চাপা পড়ে আয়শা ও মরিয়ম। সঙ্গে সঙ্গে পথচারীরা তাদের দেয়ালের নিচ থেকে বের করে। তাদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত বলে জানান।
ইকবাল আরও জানান, ১ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে মেঝো আয়েশা। স্থানীয় শহীদ তোজো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণিতে সে পড়ত। তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বরুরা উপজেলায়।
এদিকে নিহত নুসরাত জাহান মরিয়মের বাবা রাজমিস্ত্রী মো. শরিফ জানান, তার একমাত্র মেয়ে মরিয়ম। গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শালুয়াদি গ্রামে। ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।





