রাষ্ট্রদূতরা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণে তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে বাংলাদেশ ও উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ দেশগুলোর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ব্যাপারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, সংযোগ বৃদ্ধি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) সংক্রান্ত চলমান আলোচনার অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয় এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে চুক্তিটি সম্পন্ন করার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়া হয়।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব, দক্ষতা উন্নয়ন, মানবসম্পদের গতিশীলতা, অভিবাসন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ আলোচনার সূচনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পথ খুঁজে বের করা হয়।




