প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রেলওয়েকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় করে তুলতে সেবার মান বৃদ্ধি এবং অব্যবস্থাপনা দূর করার ওপর জোর দিয়েছে সরকার।’
জানান, বর্তমানে রেলওয়ের আধুনিকায়নের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ট্রেনে ওয়াইফাই সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে তিনটি ট্রেনে চালু আছে এবং ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে সব ট্রেনেই এই সেবা নিশ্চিত করা হবে।’
ট্রেন দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ট্রেনকে নিরাপদ বাহন হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চান ট্রেন যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে একটি জনপ্রিয় বাহন হয়ে থাকে। মানুষের দোরগোড়ায় রেলসেবা পৌঁছে দিতে এবং সেবার পরিধি আরও বাড়াতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।’
চট্টগ্রাম রেল স্টেশন নিয়েও সরকারের বিশেষ উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
রেলের লোকসান কমিয়ে লাভজনক করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা রেলের অব্যবস্থাপনা ও অপচয়ের ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে রেলকে একটি লাভজনক সংস্থায় রূপান্তর করার কাজ চলছে।’
আরও পড়ুন:
টিকিট বিক্রির সফটওয়্যারে ত্রুটি এবং কালোবাজারি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে এবং এ নিয়ে আমরা রেল মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করেছি।’
তিনি আরও জানান, টিকিট নিয়ে যেন কোনো অভিযোগ না থাকে, সেজন্য সফটওয়্যার উন্নত করার এবং সিস্টেম ডেভেলপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে টিকিট কালোবাজারি বা কোনো ধরনের দুর্নীতির সুযোগ না থাকে।
পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।





