সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরে ও বাহিরে মুসল্লিদের উপস্থিতি আরও বাড়ে। অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন রমজানের শেষ জুমার নামাজ আদায় করতে। দুপুর ১টার আগেই মসজিদের মূল অংশ মুসল্লিতে পূর্ণ হয়ে যায়। আজানের পর নিচতলার অংশও ভরে ওঠে। তবে বৃষ্টির কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় মুসল্লিদের সংখ্যা কিছুটা কম ছিল।
আরও পড়ুন:
মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে আখিরাতের মুক্তি, দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করা হয়। মুসল্লিদের মধ্যে অনেককে তাদের প্রয়াত আত্মীয়স্বজনের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দান-খয়রাত দিতে দেখা যায়।
জুমার দিন মুসলিম উম্মাহর কাছে সাপ্তাহিক ইবাদতের বিশেষ দিন। রমজানের শেষ দশকে অনুষ্ঠিত জুমাতুল বিদা মুসল্লিদের কাছে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।





