প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্ধ পাটকলগুলো চালু করা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ ছিল। এরই মধ্যে ১৪টি পাটকল চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়নের কাজ চলছে।’
মসলিন ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মসলিন বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে আমরা ইংল্যান্ড পর্যন্ত গিয়েছি। সেখান থেকে তথ্য ও নমুনা সংগ্রহ করে দেশে এনে গবেষণা করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে এর প্রকৃত বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করা হয়েছে এবং সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘নতুন সরকার হিসেবে আমরা মসলিনের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি। গবেষণা কার্যক্রম, বাজার সম্প্রসারণ, বীজের বৈচিত্র্য ও উন্নত জাত উদ্ভাবনের কাজ এখান থেকেই পরিচালিত হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবীর, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি, মন্ত্রণালয়ের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আসিফ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।





