স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্ব, আমাদের অস্তিত্ব। কিন্তু কিছু মানুষ এই ইতিহাসকে খাটো করার চেষ্টা করছে।’
২৪’র গণঅভ্যুত্থান নিয়ে তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন আমাদের আরেকটি গৌরবের ইতিহাস। আমরা জুলাই সংগ্রাম ও অভ্যুত্থানকে ধারণ করি।’
আরও পড়ুন:
দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। তাই বিএনপিতে কোনো দুষ্ট মানুষের ঠাই হবে না।’
এসময় অবহেলিত চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও সমাবেশে স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতারা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, ‘হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিবাহী স্থান। এখানেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার লক্ষ্যে প্রথম সুসংগঠিত সামরিক রণকৌশল নির্ধারণ করা হয় এবং যুদ্ধকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে বিভক্ত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা এই ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ এবং এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর নির্মাণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।





