আজ (বুধবার, ৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বিস সম্মেলনকেন্দ্রে ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বাংলাদেশের ক্ষতি কাটানো’ বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জ্বালানি অর্থনীতি নিয়ে কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা সেমিনারে বলেন, দেশের জ্বালানি মজুত করার সক্ষমতার ঘাটতির কারণেই জ্বালানি নিরাপত্তা হুমকির মুখে।
আরও পড়ুন:
ইরান-আমেরিকার দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কিছুটা স্বস্তি আনলেও ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন বক্তারা।
এসময় রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘উত্তরাধিকারসূত্রে এই সরকার জ্বালানি নিরাপত্তার কোনো উদ্যোগ পায়নি। বৃহৎ মেয়াদে জ্বালানি তেলের পরিশোধনাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবে সরকার।’
তবে সংকটকালীন ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।





